প্রশ্ন যখন চুলের স্বাস্থ্য নিয়ে, তখন তেলের কথা তো উঠবেই! চুলের স্বাস্থ্য আর সৌন্দর্য রক্ষায় তেল অপরিহার্য। নারকেল তেল আর অলিভ অয়েলই চুলের জন্য সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। এই দুটি তেলই ভালো, পাওয়া যায় সহজে এবং সব ধরনের চুলের পক্ষেই মানানসই। কিন্তু জানেন কি, এমন একটি তেল আছে যা চুলের পক্ষে খুবই উপকারী? আমরা সরষের তেলের কথা বলছি।

সরষের তেল মূলত রান্নার কাজে ব্যবহার হলেও এর আরও নানা উপকারিতা আছে। সর্দিকাশি থেকে রক্ষা করে এই তেল, হৃদযন্ত্রও ভালো রাখে। তা ছাড়া ঘন আর গাঢ় হলুদ রঙের এই তেলটি চুলের নানা সমস্যার সমাধান করতে পারে। বিশদে জানতে পড়তে থাকুন।

 

প্রাকৃতিক কন্ডিশনার

প্রাকৃতিক কন্ডিশনার

সরষের তেল মনোস্যাচুরেটেড, স্যাচুরেটেড আর পলিস্যাচুরেটেড ফ্যাটে সমৃদ্ধ, ফলে চুলের জন্য এটি খুব ভালো প্রাকৃতিক কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করে, প্রতিটি চুলে ছড়িয়ে দেয় স্বাস্থ্যের জেল্লা, চকচকেভাব, কোমলতা আর মসৃণতা। পাত্রে পরিমাণমতো সরষের তেল নিয়ে তাতে এক চাচামচ আমন্ড অয়েল মিশিয়ে মাইক্রোওয়েভে 10 সেকেন্ড গরম করে নিন। এবার চুলের গোড়ায় লাগিয়ে স্ক্যাল্প আর পুরো চুলে মাসাজ করুন। আধঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন।

 

চুল ওঠা কমাতে

চুল ওঠা কমাতে

সুস্থসবল থাকতে চুলের দরকার প্রোটিন, আর সরষের তেল হল প্রোটিনের ভাঁড়ার। আপনার যদি চুল ওঠার সমস্যা থাকে, তা হলে সরষের তেল মেখে দেখুন। স্ক্যাল্পে নিয়মিত সরষের তেল মাসাজ করুন আর দেখুন কত তাড়াতাড়ি চুল ওঠা কমে যায়।

 

খুসকি কমাতে

খুসকি কমাতে

শুষ্কতা, স্ক্যাল্পের সংক্রমণ এবং আরও নানা কারণে খুসকির উপদ্রব হয়। সরষের তেলে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল আর অ্যান্টিফাঙ্গাল গুণ রয়েছে যা খুসকি ও অন্যান্য সংক্রমণের মোকাবিলা করে আপনার স্ক্যাল্প পরিষ্কার আর সুস্থ রাখে। সমপরিমাণে সরষের তেল আর নারকেল তেল মিশিয়ে স্ক্যাল্পে মাসাজ করুন। গরম তোয়ালে দিয়ে মাথা জড়িয়ে ঘণ্টাখানেক অপেক্ষা করুন। প্রতি সপ্তাহে করলে খুসকি উধাও হয়ে যাবে মাথা থেকে।

 

চুলের অকালপক্বতা কমাতে

চুলের অকালপক্বতা কমাতে

অকালে চুল সাদা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় এখন অনেকেই ভোগেন। সরষের তেল মাখলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি মিলতে পারে। চুলে সরষের তেল মেখে সারা রাত রেখে দিন। সারা রাত না পারলে অন্তত একঘণ্টা রাখুন, তারপর হালকা গরম জলে ধুয়ে ফেলবেন।