কোভিডের প্রকোপ এখনও কমার তেমন কোনও লক্ষণ নেই, কাজেই সমুদ্রের ধারে বেড়াতে যাওয়ার সম্ভাবনাও কম। কিন্তু বিচে বেড়ানো নাই বা হল, চুলে বিচ ওয়েভ করতে তো আর কোনও বাধা নেই! কার্লের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা এই বিচ ওয়েভ হেয়ারস্টাইলটি যে কোনও ফর্মাল অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে সান্ধ্য পার্টি, ক্যাসুয়াল আড্ডা থেকে শুরু করে বিয়েবাড়ি পর্যন্ত সব জায়গাতেই দারুণ মানিয়ে যায়! চুল নিয়ে কী স্টাইল করবেন যদি ভেবে না পান, নিশ্চিন্তে বিচ ওয়েভ করে নিন, গ্ল্যামার এক ঝটকায় বেড়ে যাবে অনেকটাই!

তবে বিচ ওয়েভ করতে গিয়ে অনেক সময়ই ঠিকঠাক সন্তুষ্ট হতে পারেন না অনেকেই। মনে হয় ওয়েভগুলো ঠিকমতো সেট হচ্ছে না! সেই কথাটা মাথায় রেখেই আমরা নিয়ে এসেছি একটা দারুণ সহজ স্টেপ বাই স্টেপ গাইড, যা মেনে চললে চুলে দুর্দান্ত বিচ ওয়েভ করে ফেলতে পারবেন নিমেষেই!

how to get beachy waves

ধাপ 01: চুলে ভালো ভল্যুম থাকলে বিচ ওয়েভ দারুণ দেখায়। তাই প্রথমেই পুরো চুলে ভালোভাবে টেক্সচারাইজিং স্প্রে লাগিয়ে নিন। আমাদের পরামর্শ Toni & Guy Hair Casaul Sea Salt Texturising Spray।

ধাপ 02: হিট স্টাইলিং শুরু করার আগে পুরো চুলে ভালো করে  Tresemme Thermal Creations Heat Tamer Spray ছিটিয়ে নিন। এতে উত্তাপজনিত ক্ষতির হাত থেকে চুল রেহাই পাবে, তা ছাড়া সারাদিন ধরে চুল নরম, কোমল আর স্বাস্থ্যোজ্জ্বলও থাকবে।

ধাপ 03: এবার পুরো চুলটাকে আড়াআড়িভাবে দুটো ভাগে ভাগ করে নিন। ওপরের ভাগটাকে গুটিয়ে ক্লিপ দিয়ে আটকে রাখুন।

ধাপ 04: চুলের নিচের ভাগ থেকে অল্প একটু অংশ (2 ইঞ্চি মতো) নিয়ে ধীরে ধীরে কার্ল করতে শুরু করুন। ঠিকঠাক ফল পেতে হলে কার্লারের ব্যারেল সাইজ এ ক্ষেত্রে খুব জরুরি। আপনার চুল যদি ঘন হয়, তা হলে 1.5 ইঞ্চি মাপের ব্যারেল নিন। চুল পাতলা হলে এক ইঞ্চির ব্যারেল নিলেই যথেষ্ট।

ধাপ 05: আগেই বলেছি, বিচ ওয়েভ আর কার্ল এক জিনিস নয়, তাই একদম গোড়া থেকে চুল কার্ল করতে শুরু করবেন না। কানের কাছাকাছি অংশ থেকে শুরু করুন। চুলের গুছি ব্যারেলে পেঁচিয়ে নিন, কয়েক সেকেন্ড রাখুন, ছেড়ে দিন। এবার উলটোদিক দিয়ে পেঁচিয়ে একই পদ্ধতি আবার করুন। ধাপ 06: পুরো চুলটা কার্ল হয়ে গেলে কিছুক্ষণ ঠান্ডা হতে দিন। তারপর হাত খুলে সেটিং স্প্রে লাগান যাতে কার্ল খুলে না যায়! ব্যস, তাক লাগানো বিচ ওয়েভ রেডি!

মূল ফোটো সৌজন্য: @manushi_chhillar