অ্যাকনে ত্বকের সবচেয়ে বিরক্তিকর সমস্যা, যার হাত থেকে সম্ভবত কারোরই রেহাই নেই। আর তার চেয়েও অবাঞ্ছিত বিষয়টি হল মুখে অ্যাকনের বিশ্রী দাগ, ব্রণর দাগ আর কালো ছোপ, যা কিছুতেই সহজে যেতে চায় না ।
 

আপনি কি দুশ্চিন্তায় আছেন, কী করে মুখ থেকে এইসব অবাঞ্ছিত দাগছোপ দূর করবেন? জেনে অবাক হবেন যে এই সমস্যার সমাধান লুকিয়ে আছে আপনার নিজের রান্নাঘরেই! হ্যাঁ, খুব চেনা আর সাধারণ উপাদান, যেমন হলুদ আর অ্যালো ভেরা মিশিয়ে একটা ফেশিয়াল  মাস্ক তৈরি করে নেওয়া যায়, যা অ্যাকনে প্রতিরোধী। এই লেখাটি পড়লে আপনি সহজেই জেনে যাবেন কী করে চেনা সব উপাদান ব্যবহার করে চটজলদি  মুখের বিশ্রী অবাঞ্ছিত দাগছোপ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
 

চন্দন + গোলাপজল
 

চন্দন + গোলাপজল

মুখে নানারকম ছোপ আর কালো দাগ দূর করার জন্য চন্দন আর গোলাপজলের মিশ্রণ তৈরি করুন। গোলাপজল না থাকলে বিকল্প হিসেবে  দুধও ব্যবহার করতে পারেন। এবার দাগছোপের জায়গাগুলিতে মিশ্রণটি লাগিয়ে রাখুন। মিনিট দুয়েক অপেক্ষা করে ঠান্ডা জলে মুখ ধুয়ে নিন।

 

অ্যালো ভেরা + হলুদ
 

অ্যালো ভেরা + হলুদ

নিখুঁত, মসৃণ আর উজ্জ্বল ত্বকের জন্য বেছে নিন সহজে ঘরে তৈরি করে নেওয়া এই প্যাকটি। অ্যালো ভেরাতে এক চিমটি হলুদ যোগ করে নিন, এটি ত্বকের পক্ষে অত্যন্ত ভালো ময়শ্চারাইজার। প্যাকটি মুখে মেখে ঈষদুষ্ণ জলে মুখ ধুয়ে ফেলার আগে মিনিট পনেরো অপেক্ষা করুন। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে গেলে প্রতি সপ্তাহে একবার এই প্যাকটি মুখে লাগান।

জায়ফল গুঁড়ো + দুধ
 

জায়ফল গুঁড়ো + দুধ

জায়ফল গুঁড়ো আর দুধের মিশ্রণ বানিয়ে নিন। এই পেস্টটি যে শুধুমাত্র আপনার মুখের অবাঞ্ছিত অ্যাকনের দাগই দূর করবে, তাই-ই নয়; ত্বকে আসবে স্বাস্থ্যের ঝলমলে ভাব। জায়ফলে আছে এসেনশিয়াল অয়েলস আর দারুণ  অ্যান্টিসেপটিক গুণ, যা ত্বকের রোগ সারায়। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে গেলে সারা রাত এই পেস্টটি মুখে মেখে রাখুন, দেখবেন এক অদ্ভুত ম্যাজিক!

আমন্ড গুঁড়ো + কাঁচা দুধ
 

আমন্ড গুঁড়ো + কাঁচা দুধ

আমন্ড গুঁড়ো আর কাঁচা দুধের পেস্ট বানিয়ে মিশ্রণটি দিয়ে হালকা হাতে ত্বকের মালিশ করুন। অ্যান্টি-এজিং গুণাগুণে ভরপুর আমন্ড মুখের বলিরেখা আর কোঁচকানো ভাব কমাতে সহায়তা করে। এই ফেসপ্যাকটি আপনার মুখ আরও তরুণ দেখাতে সাহায্য করবে।

কুঙ্কুমাদি তৈলম
 

কুঙ্কুমাদি তৈলম

এই তেলটি ব্রণ সারাতে সাহায্য করে, ডার্ক সার্কল কমায়, কালো ছোপ আর অ্যাকনের দাগ কমাতেও বিশেষ পটু। ত্বকের টেক্সচার উন্নত করতে এটি অত্যন্ত কার্যকর আর হাইপারপিগমেন্টেশনও কমায়। ফলে আপনার চেহারায় আসে চোখে পড়ার মতো মসৃণ  উজ্জ্বলতা। রাতে তিন চার ফোঁটা কুঙ্কুমাদি তৈলম ব্যবহার করে মুখে মাসাজ করুন, সকালে দেখবেন আপনার ত্বক কেমন মোলায়েম, মসৃণ আর স্বাস্থ্যে ঝলমল করছে!