কমলালেবু যে ভিটামিন সি-তে অত্যন্ত সমৃদ্ধ এবং তাতে ত্বক পরিচর্যায় সহায়তা করার মতো অজস্র গুণ আছে, সে তো আমরা সকলেই জানি। তাই স্বাভাবিকভাবেই আপনার যেমন ফল হিসেবে কমলালেবু  খুব প্রিয়,আপনার ত্বকেরও ঠিক তেমনই কমলালেবু খুব পছন্দের।

পড়ে  দেখুন, কী কী কারণে এই সুস্বাদু ফলটি যখনই পাবেন, তখনই সদ্ব্যবহার করবেন।

ফ্রি র‍্যাডিক্যালস মোকাবিলা করার ক্ষমতা
 

ফ্রি র‍্যাডিক্যালস মোকাবিলা করার ক্ষমতা

কমলালেবু হল অ্যান্টি-অক্সিডান্টসের সমৃদ্ধ উৎস, যা আমাদের আশেপাশের ক্ষতিকর ফ্রি র‍্যাডিক্যালসের মোকাবিলা করতে সহায়তা করে। অ্যান্টি-অক্সিডান্টস ত্বকের ক্ষয়ক্ষতি প্রতিরোধে সাহায্য করে আর ত্বককে অনুজ্জ্বল, শুষ্ক, বিবর্ণ আর বয়স্ক দেখানোর হাত থেকে বাঁচায়।

ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি
 

ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি

সমস্ত রকমের ভিটামিন আর পুষ্টি-উপাদানে ভরপুর বলে কমলালেবু ত্বকের উপকারী সেরা বন্ধু। কমলালেবুর খোসা চমৎকার ব্লিচিং এজেন্ট, যা ত্বকের কালচে দাগছোপ দূর করতে সাহায্য করে। রোদে  চামড়া পুড়ে কালচে হয়ে গেলে সেটি দূর করতেও স্বাভাবিক প্রাকৃতিক উপাদান হিসেবে এটি ব্যবহার করা যেতে পারে।

অ্যাকনে সারানোর গুণ
 

অ্যাকনে সারানোর গুণ

কমলালেবুতে আছে প্রচুর পরিমাণে সাইট্রিক অ্যাসিড, যা ব্রণ শুকোতে সাহায্য করে আর ত্বকে যাতে অতিরিক্ত সিবাম উৎপন্ন না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখে। কমলালেবুর খোসা ডায়েটরি ফাইবারের সমৃদ্ধ উৎস, যা কোষ্ঠ পরিষ্কারে সহায়তা করে শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন আর বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন করে। ফলে ত্বকে নতুন করে অ্যাকনে হওয়ার আশঙ্কাও কমে।

ত্বককে মোলায়েম আর টানটান করা
 

ত্বককে মোলায়েম আর টানটান করা

কমলালেবুর রসে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, যা ত্বকের রোমছিদ্র ছোট করে দেয় আর সিবাম উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে ত্বক হয় কোমল আর মসৃণ। নিয়মিত কমলালেবুর রসের ব্যবহারে ত্বকের টেক্সচার ভালো হয়, ত্বক হয়ে ওঠে অত্যন্ত কোমল আর মসৃণ।

অ্যান্টি-এজিং গুণ থাকার সুবিধা
 

অ্যান্টি-এজিং গুণ থাকার সুবিধা

কমলালেবুতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি থাকার জন্য এটি কোলাজেন উৎপাদন বাড়ায়, যার ফলে ত্বক থাকে তাজা আর টানটান। ত্বকের কুঞ্চন, বলিরেখা এগুলি বিলম্বিত করে অকালে ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়াও চমৎকারভাবে প্রতিরোধ করে।