বর্ষাকাল মানে একদিকে যেমন মনে ফুরফুরে আনন্দ, তেমনি আবার প্যাচপেচে জলকাদার জন্য প্রবল বিরক্তি! একদিকে প্রবল গরমের হাত থেকে মুক্তির আনন্দ, অন্যদিকে বাতাসের বাড়তে থাকা আর্দ্রতার প্রভাবে ত্বকের নাজেহাল অবস্থা, বিশেষ করে পায়ের! বর্ষার জলকাদা পায়ের ত্বক ভীষণ শুষ্ক করে দেয়, দেখতেও খারাপ লাগে!

এইজন্য বর্ষাকালে পায়ের দরকার বিশেষ যত্ন। একটু খেয়াল রাখলে বর্ষার জল থেকে পা বাঁচানো সম্ভব, এবং পায়ের ত্বক নরম আর কোমল রাখাও সম্ভব। জেনে নিন কিছু কাজের টিপস...

 

01. ভেজা জুতো মোজা পরে থাকবেন না

01. ভেজা জুতো মোজা পরে থাকবেন না

বর্ষায় চট করে জুতো মোজা ভিজে যায়। ভেজা জুতো মোজা, এমনকী ভেজা প্যান্ট পরে অনেকক্ষণ থাকতে হলে পায়ের নানা সমস্যা দেখা দেয়। পায়ে সহজেই ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকের সংক্রমণ হতে পারে। তাই বৃষ্টির দিনগুলোয় যতটা সম্ভব মোজা পরবেন না, বরং পা খোলা জুতো পরুন। একান্ত যদি মোজা পরতেই হয়, তা হলে সঙ্গে একজোড়া শুকনো মোজা রাখুন যাতে পা ভিজে না থাকে।

 

02. নিয়মিত ফুট বাথ নিন

02. নিয়মিত ফুট বাথ নিন

এবছর পেডিকিওর করাতে নিয়মিত স্পায়ে যাওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু তার জন্য বাড়িতেও কি পায়ের যত্ন নেবেন না? পার্লারের যত্ন করুন বাড়িতেই। সপ্তাহে একদিন গামলায় গরম জল নিয়ে তাতে কয়েকফোঁটা শ্যাম্পু আর খানিকটা বাথসল্ট মিশিয়ে পা ডুবিয়ে রাখুন। তারপর পা ঘষে নিন। এতে পায়ে জমে থাকা সমস্ত মৃত কোষ আর ব্যাকটেরিয়া মরে যাবে, আপনার পা থাকবে সুস্থ আর তরতাজা।

 

03. ফুট ক্রিম মাখতে ভুলবেন না

03. ফুট ক্রিম মাখতে ভুলবেন না

সারাক্ষণ জলকাদা পায়ে লাগলে বা বাতাসের অতিরিক্ত জলীয় বাষ্পের কারণে পা থেকে আর্দ্রতা নষ্ট হয়ে গিয়ে পা শুকনো হয়ে যায়। ফলে পায়ের দরকার বাড়তি আর্দ্রতা। প্রতিদিন রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে পায়ে ভেসলিন ডার্মা কেয়ার ক্র্যাকড ফুট রিপেয়ার ক্রিম/ মাখুন, তারপর পায়ে মোজা পরে নিন। এই ঘন আর পুষ্টিদায়ী ফুট ক্রিমটি আপনার পায়ের ত্বকে আর্দ্রতা এনে দেবে, সকালে ঘুম থেকে উঠে আপনি পেয়ে যাবেন নরম আর কোমল পা।

 

04. পায়ের নখ কেটে রাখুন

04. পায়ের নখ কেটে রাখুন

পায়ের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে এবং ছত্রাকের সংক্রমণ ঠেকাতে পায়ের নখ ছোট করে কেটে রাখুন। এতে নখের কোণে ধুলোময়লা, বৃষ্টির জল ও অন্য দূষিত জিনিস জমে থাকবে না, পা থাকবে পরিষ্কার স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।