পিল-অফ মাস্ক আর নোজ স্ট্রিপ যতই ব্যবহার করুন, ব্ল্যাকহেডস যেন কিছুতেই যেতে চায় না! তাই ব্ল্যাকহেডস মোকাবিলার সবচেয়ে ভালো উপায় হল তা হতেই না দেওয়া! ব্ল্যাকহেডস প্রতিরোধ করতে পারে এমন বিশেষভাবে তৈরি স্কিনকেয়ার রুটিন মেনে চললে ব্ল্যাকহেডস অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। এই ধরনের বিশেষ ত্বক পরিচর্যার রুটিন আপনার রোমছিদ্রের মুখ বন্ধ হয়ে যাওয়া থেকে আটকায়, রোমছিদ্রে তেল আর মৃত চামড়ার কোষ জমে থাকতে দেয় না, ফলে ত্বক থাকে ব্রণমুক্ত।

নিয়মিত যদি এই রুটিনটি মেনে চলেন, তা হলে ব্রণ খুঁটে তুলে ফেলতে হবে না, কড়া পিল-অফ স্ট্রিপের ওপর নির্ভরশীল হয়েও থাকতে হবে না। প্রসঙ্গত পিল-অফ মাস্ক যথেষ্টই কড়া, ফলে ত্বকের স্বভাবিক প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়।

 

01. ত্বক পরিষ্কার রাখুন

01. ত্বক পরিষ্কার রাখুন

ত্বকে দীর্ঘসময় ধরে ধুলোময়লা বা তেল লেগে থাকলে তা পরিষ্কার করতে দিনে দু'বার মুখ পরিষ্কার করতেই হবে। চারকোল বা ক্লে-এর মতো খনিজ উপাদান দিয়ে তৈরি ক্লেনজার ত্বকের তেলময়লা ধুয়ে দেয়, পাশাপাশি ত্বক শুকনোও করে দেয় না। পন্ড'স হোয়াইট বিউটি মিনারেল ক্লে ইনস্ট্যান্ট ব্রাইটনেস ফেসিয়াল ফোম/ Pond’s White Beauty Mineral Clay Instant Brightness Facial Foam আমাদের খুব পছন্দের। এটি কোমলভাবে অথচ দারুণ অব্যর্থ লক্ষ্যে ত্বক পরিষ্কার রাখে। ক্লেনজার মুখে লাগিয়ে এক মিনিট ধরে মাসাজ করুন যাতে ক্লেনজার ভালোভাবে কাজ করতে পারে।

 

02. এক্সফোলিয়েট করুন

02. এক্সফোলিয়েট করুন

মুখে মৃত কোষ জমে যাওয়া ঠেকাতে ও ত্বক ব্ল্যাকহেডস মুক্ত রাখতে এক্সফোলিয়েট করা জরুরি। সিম্পল ডেইলি স্কিন ডিটক্স ক্লিয়ার পোর ফেসিয়াল স্ক্রাব/ Simple Daily Skin Detox Clear Pore Facial Scrub উইচ হ্যাজেল, জিঙ্ক আর থাইমের গুণে সমৃদ্ধ, ফলে ত্বক পরিষ্কার আর ঝলমলে থাকে। তা ছাড়া এই ক্লেনজারটি অ্যালকোহল মুক্ত, ফলে স্পর্শকাতর ত্বকের মেয়েরাও অনায়াসে এটি ব্যবহার করতে পারেন।

 

03. মাস্ক লাগান

03. মাস্ক লাগান

ত্বক পরিষ্কার আর তেলমুক্ত রাখতে সপ্তাহে দু'দিন ডার্মালজিকা সেবাম ক্লিয়ারিং মাস্ক/Dermalogica Sebum Clearing Masque লাগান। স্যালিসাইলিক অ্যাসিড, ক্লে, লাইকোরাইস আর নিয়াসিনামাইড রয়েছে এই মাস্কে, ফলে বাড়িতে মুখের ক্লিন-আপ করতে চাইলে এই মাস্কটি কাজে লাগাতে পারেন। তা ছাড়া এই মাস্কটি ত্বকের প্রদাহ কমায়, ফলে রোমছিদ্র পরিষ্কার থাকে, ব্ল্যাকহেডস বেরনোর আশংকাও কমে যায়।

 

04. টোন করুন

04. টোন করুন

টোনার বাস্তবিকই ত্বক পরিচর্যার অন্যতম ধাপ কিনা, তা নিয়ে মতান্তর রয়েছে। কিন্তু আপনার ত্বকে যদি ব্ল্যাকহেডস বেরোনোর প্রবণতা থাকে, তা হলে আপন করে নিন টোনারকে। জ্বালা বা প্রদাহহীন ফর্মুলা রোমছিদ্রে জমে থাকা ধুলোময়লা সাফ করে রোমছিদ্র টানটান সংকুচিত করে, ফলে ত্বকের টেক্সচার ভালো হয়। ল্যাকমে অ্যাবসলিউট পোর ফিক্স টোনার/ Lakme Absolute Pore Fix Toner আমাদের খুবই পছন্দের টোনার। ক্লেনজিং/মাস্কিং/এক্সফোলিয়েশনের পরে লাগান আর দেখুন কীভাবে ত্বকের ভোল পালটে যায়!

 

05. শেষ ধাপে হালকা লোশন

05. শেষ ধাপে হালকা লোশন

মুখের বাড়তি তেলতেলেভাব কমানোর সবচেয়ে সেরা উপায় হল ত্বক আর্দ্র রাখা আর ত্বকে পুষ্টির জোগান। সিম্পল ডেইলি স্কিন ডিটক্স আলট্রা লাইট লিকুইড ময়শ্চারাইজার/ Simple Daily Skin Detox Ultra Light Liquid Moisturiser-এর মতো হালকা লোশন মেখে নিন, এটি ঘন ক্রিমের মতো আপনার রোমছিদ্রের মুখ আটকে দেবে না। এই ময়শ্চারাইজার আপনার ত্বক 24 ঘণ্টা আর্দ্র রাখবে, মুখে পাবেন মসৃণ ম্যাট ফিনিশ।