চুলে ঠিক কীভাবে সিঁথি কাটলে মুখের সৌন্দর্য সবচেয়ে বেশি ফুটে বেরোবে, তা নিয়ে কমবেশি ভাবনাচিন্তা করি আমরা সকলেই! আমাদের মধ্যে বেশিরভাগ মেয়েই হয় একটু বাঁ দিক ঘেঁষে, অথবা একটু ডানদিক ঘেঁষে, অথবা মাঝখানে সিঁথি করতে অভ্যস্ত। হয়তো তা আপনার মুখের সঙ্গে মানিয়েও যায়, কিন্তু তার মানে যে সেটিই আপনার জন্য আদর্শ, তা নাও হতে পারে। মুখের আকার অনুযায়ী সিঁথির অবস্থানের অদলবদল করে মুখের সেরা ফিচারগুলো ফুটিয়ে তুলতে পারেন আপনি, পাশাপাশি আপনার সৌন্দর্যও বহুগুণে বেড়ে যায়। তাই রইল একটি গাইডলাইন যার সাহায্যে নিজের মুখের সঙ্গে মানানসই সেরা সিঁথিটি খুঁজে নিতে পারেন আপনি।

 

গোলাকার মুখ

গোলাকার মুখ

যাঁদের মুখ গোল, তাঁদের সাধারণত কপালটা বড় হয়। কপাল ছোট দেখাতে সিঁথি করুন মাঝখানে। তাতে কপাল দু'পাশে একটু ঢাকা পড়বে, গালটাও হাইলাইটেড হবে। মাঝখানে সিঁথি করলে মুখের ফোলাভাবটাও কম দেখাবে, এবং মুখ অপেক্ষাকৃত পাতলা বলে মনে হবে।

 

ডিম্বাকৃতি মুখ

ডিম্বাকৃতি মুখ

ওভাল বা ডিম্বাকৃতি মুখে চিবুক অল্প চাপা থাকে এবং হেয়ারলাইন সাধারণত হরতন বা পানপাতার মতো হয়। ফলে কপালের অংশটা চিবুকের চেয়ে একটু চওড়া দেখাতে পারে। আপনার মুখের ধরন যাকে বলে আদর্শ, তাই যে কোনও ধরনের সিঁথি আপনার মুখে মানিয়ে যাবে।

 

চৌকো মুখ

চৌকো মুখ

আপনার মুখ যদি চৌকো হয়, তা হলে ঠিক কীরকম সিঁথি আপনার মুখে মানানসই সেটা খুঁজে বের করা সত্যিই কঠিন হতে পারে। খুব সম্ভব, আপনার হেয়ারলাইন একদম সোজা এবং আপনার চিবুক আর চোয়ালের রেখার সঙ্গে সমান্তরাল। আকারের দিক থেকে আপনার মুখ তুলনামূলকভাবে বেশি স্ট্রাকচার্ড, তাই ধারে সিঁথি কেটে আপনি এই দিকটি ফুটিয়ে তুলতে পারেন। অথবা সিঁথি না কেটে চুলটা উলটে আঁচড়ে বেঁধে রাখতে পারেন।

 

ষড়ভুজ আকার

ষড়ভুজ আকার

আপনার মুখের আকার যদি ষড়ভুজ বা ডায়মন্ড আকারের হয়, তা হলে সম্ভবত আপনার কপাল সংকীর্ণ এবং চোয়াল অর্থাৎ জ লাইন আর চিকবোন আপনার মুখের সবচেয়ে চওড়া অংশ। আপনার তীক্ষ্ণ চিবুক আর উঁচু চিকবোন আরও বেশি ফুটিয়ে তুলতে চুলে মাঝখানে সিঁথি করতে পারেন। তবে যদি এই দিকগুলো একটু ঢেকে রাখতে চান, তা হলে ধারে সিঁথি করুন, মুখের ধারালোভাব অনেকটা কম দেখাবে।