ঘাম মানেই চূড়ান্ত অস্বস্তিকর একটা পরিস্থিতি। পোশাকের ওপর দিয়ে ঘামের ভেজা দাগ ফুটে বেরোনোই হোক, বা দামি পারফিউমের গন্ধ ছাপিয়ে ঘামের তীব্র গন্ধই হোক, বিব্রত হওয়ার নানা উপকরণ মজুত ঘামে। আর সত্যি বলতে, গরমের মরশুমে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় ঘামের গন্ধই। এমনিতে শরীর শীতল রাখতে ঘামের গুরুত্ব থাকলেও তার জন্য সারাক্ষণ বিব্রত হয়ে থাকতে আর কে চায়, তাই না? ঘাম হওয়া একটি স্বাভাবিক, স্বাস্থ্যকর প্রক্রিয়া। বিশেষ করে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে ঘাম হওয়াই স্বাভাবিক।

কিন্তু মাঝেমাঝে এত বেশি ঘাম হয় যে অস্বস্তিতে পড়তে হয়। কীভাবে অতিরিক্ত ঘামের মোকাবিলা করবেন? হদিশ রইল এখানে।

 

ডিওডোরান্ট লাগান

ডিওডোরান্ট লাগান

অতিরিক্ত ঘাম সামাল দিতে, এবং কখনও কখনও ঘাম হওয়া বন্ধ করতে একমাত্র ভরসা ডিওডোরান্ট। ডিওডোরান্ট ত্বকের রোমছিদ্র বন্ধ করে দিয়ে ঘাম বেরোতে দেয় না, আপনাকে সারাক্ষণ তরতাজা রাখে। ডাভ ইভনটোন ডিওডোরান্ট রোল অন ফর উইমেন/ Dove EvenTone Deodorant Roll On For Women ব্যবহার করে দেখুন। এটি আপনাকে 48 ঘণ্টা দুর্গন্ধ থেকে রেহাই দেবে, আপনার আন্ডারআর্ম রাখবে নরম, মসৃণ এবং সুরভিত। এতে প্যারাবেন বা অ্যালকোহলের মতো কোনও ক্ষতিকর উপাদান নেই, ফলে নিশ্চিন্তে ব্যবহার করুন!

 

ট্যালকম পাউডারের গুণ

ট্যালকম পাউডারের গুণ

ভেজাভাব শুষে নিতে জুড়ি নেই ট্যালকম পাউডারের। কাজেই ঘাম শুষে নিতে আর দুর্গন্ধ দূরে রাখতে ভরসা রাখুন ট্যালকম পাউডারের ওপর। পন্ড'স ম্যাজিক ফ্রেশনেস ট্যালকম পাউডার আসাসিয়া হানি/ Pond’s Magic Freshness Talcum Powder Acacia Honey মেখে দেখতে পারেন; এটি ত্বকের ওপর ঘর্ষণ কমায়, ত্বক শীতল রাখে এবং ত্বকের ওপর সুরক্ষার অতিরিক্ত আস্তরণ হিসেবে কাজ করে।

 

শাওয়ার জেলের সুবাস

শাওয়ার জেলের সুবাস

ত্বক তরতাজা করে তুলতে এবং যে কোনও দুর্গন্ধ তাড়াতে বেছে নিন পিয়ার্স সফট অ্যান্ড ফ্রেশ শাওয়ার জেল/ Pears Soft & Fresh Shower Gel -এর মতো সাবান আর প্যারাবেন-মুক্ত কোমল ক্লেনজার। বাড়তি পাওনা হল, এই শাওয়ার জেলে রয়েছে মিন্টের চনমনে নির্যাস যা আপনাকে দিনভর তরতাজা রাখে। মেখেই দেখুন না!

 

খাওয়াদাওয়ার দিকে নজর দিন

খাওয়াদাওয়ার দিকে নজর দিন

বাড়ির বাইরে বন্ধুদের সঙ্গে রাতভর হুল্লোড়ই হোক বা বাড়িতে বসে ভিডিও কল পার্টি, আপনার অতিরিক্ত ঘামের ধাত থাকলে খাওয়াদাওয়ার দিকে নজর দিতেই হবে। হালকা স্যালাড, শাকসবজি খান, এড়িয়ে চলুন রগরগে মশলাদার খাবার। গরম লাগলে আমাদের শরীর যেমন ঠান্ডা হওয়ার চেষ্টা করে, অতিরিক্ত তেলমশলাওয়ালা খাবার খেলেও শরীরের একই প্রতিক্রিয়া হয়। দুটি ক্ষেত্রেই শরীর ঘামের মাধ্যমে তাপ বের করে শীতল হতে চায়। একইভাবে এড়িয়ে চলুন ক্যাফিন। কফি অ্যাড্রিনাল গ্রন্থিকে উজ্জীবিত করে তোলে, ফলে হাতের তালু, পায়ের পাতা আর বগলে অতিরিক্ত ঘাম হয়। তাই কফি খেতে যতই ভালো লাগুক, বেশি কফি খাওয়া চলবে না একেবারেই!

 

হালকা পোশাক পরুন

হালকা পোশাক পরুন

টাইট পোশাক পরতে কেউই ভালোবাসে না! তা ছাড়া শরীরের পক্ষেও টাইট, এঁটে বসা পোশাক ভালো নয়। এরকম পোশাক পরলে শরীর শ্বাস নিতে পারে না, ফলে ঘাম বেশি হয়। এজন্য টাইট পোশাক পরলে ঘামের দাগ স্পষ্ট ফুটে ওঠে। তাই আপনার ঘামের ধাত হলে হালকা, খোলামেলা পোশাক পরুন। সেটা সম্ভব না হলে বেছে নিন গাঢ় রঙের পোশাক, যাতে ঘামের দাগগুলো যেন ঢাকা পড়ে যায়!