সুস্থ সুন্দর ত্বকের মালকিন হওয়ার গোপন রহস্যটা কী জানেন? সেটা হল, কখনওই (এবং কোনও পরিস্থিতিতেই) নোংরা ঘেমে যাওয়া হাত মুখে না লাগানো। ঘুমোতে যাওয়ার আগে মুখ থেকে মেকআপ তোলা আর ময়শ্চারাইজার লাগানো যতটা জরুরি, ঠিক ততটাই জরুরি হল মুখে হাত না দেওয়া। বিশেষ করে তেলতেলে আর ব্রণপ্রবণ ত্বকের ক্ষেত্রে এই নিয়মটা মেনে চলতেই হবে!

আপনার যদি ব্রণর সমস্যা থাকে, আর সবরকম চিকিৎসা করেও উপকার না পান, তা হলে একটু ভেবে দেখুন তো, আপনারও কি মুখে হাত দেওয়ার বদভ্যেস আছে? মুখ খুব তেলতেলে হয়ে গেলে বা ব্রণ বেরোলে মুখে হাত দেওয়ার প্রবণতা তৈরি হয় ঠিকই, কিন্তু তা থেকে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। তাই মুখে হাত দেওয়ার অভ্যেস কাটিয়ে উঠতেই হবে!

 

মুখে হাত দিলে কী হয়?

মুখে হাত দিলে কী হয়?

হাতে ধুলোময়লা, ঘাম, ব্যাকটেরিয়া জমে থাকে। নোংরা হাত দিয়ে ব্রণপ্রবণ ত্বক স্পর্শ করলে একদিকে যেমন মুখের ত্বক নোংরা হয়ে যায়, তেমনি ব্যাকটেরিয়া আর অ্যালার্জেন মুখে লেগে ব্রণ বেরোতে পারে, ত্বকও তেলতেলে দেখায়। তা ছাড়া মুখে হাত দিলে ব্রণ খোঁটার প্রবণতাও তৈরি হয়। সেটা নিশ্চয়ই আপনি চান না?

 

কীভাবে এই অভ্যেস কাটিয়ে উঠবেন?

কীভাবে এই অভ্যেস কাটিয়ে উঠবেন?

প্রতিবার মুখে হাত দেওয়ার সময় ভাবুন, এ থেকে বিশ্রী ব্রণ হতে পারে। নিজেকে এইভাবে নিয়ন্ত্রণ করুন। ভাবুন এর ফলে মুখে ব্যাকটেরিয়া আর নানা রোগজীবাণু জমতে পারে। সবসময় সঙ্গে রাখুন ব্লটিং পেপার আর ফেসিয়াল ওয়াইপস। মুখের বাড়তি তেল হাত দিয়ে না মুছে ওয়াইপস আর ব্লটিং পেপার ব্যবহার করুন। একান্তই যদি মুখে হাত দিতে হয় (ধেবড়ে যাওয়া মেকআপ ঠিক করতে বা, চুলকোনোর জন্য), তা হলে সঙ্গে রাখুন হ্যান্ড স্যানিটাইজার। মুখে হাত দেওয়ার আগে হাতে স্যানিটাইজার লাগিয়ে নিন। এতে ব্যাকটেরিয়া আর ব্রণ, দুই সমস্যাই নির্মূল হবে।