ব্যায়াম করে শরীর ফিট রাখা আপনার অভ্যাস? শরীর সুস্থ অবশ্যই রাখুন, কিন্তু তার জন্য আপনার চুলকে কোনও খেসারত দিতে হচ্ছে না তো? কারণ ভালোমতো ব্যায়াম করলেই ঘাম হবে, আর সেই ঘাম কিন্তু আপনার চুলের ক্ষতি করে দিতে পারে। এখন চুল নানাধরনের হয়, এক একরকম চুলের ক্ষেত্রে ব্যায়ামের পর এক একভাবে যত্ন নিতে হবে। চুলের নানারকম টেক্সচার আর ধরনের ওপর নির্ভর করে আমরা নিয়ে এসেছি কিছু টিপস যা চুলের যাবতীয় সমস্যা থেকে রক্ষা করবে আপনাকে।

 

স্ট্রেট চুলের জন্য

স্ট্রেট চুলের জন্য

ব্যায়ামের পর চটজলদি ঘাম শুকোতে ড্রাই শ্যাম্পু ব্যবহার করেন অনেকেই। কিন্তু জানেন কি, ব্যায়ামের আগেও খানিকটা ড্রাই শ্যাম্পু চুলে স্প্রে করে নিলে অনেকটাই ঘাম শুষে নেবে, স্ক্যাল্পও শুকনো থাকবে।

 

পাতলা চুলের জন্য

পাতলা চুলের জন্য

পাতলা চুল বেশ দুর্বলও হয়, তাই ব্যায়ামের আগে আর পরে পাতলা চুলের জন্য বিশেষ যত্ন আর ধৈর্য দরকার। ব্যায়াম করার সময় চুল বিনুনি বা খোঁপা করে বেঁধে রাখুন, যাতে জট পাকিয়ে না যায়। জট পড়লেও ব্যায়ামের পর মোটা দাঁড়ার চিরুনি দিয়ে আঁচড়ে ছাড়িয়ে নিন।

 

ঘন চুলের জন্য

ঘন চুলের জন্য

ঘন চুলের ক্ষেত্রে ব্যায়ামের পরেই শ্যাম্পু করে ফেলতে ইচ্ছে করা স্বাভাবিক। কিন্তু চুল ভালো রাখতে হলে বেশি শ্যাম্পু করবেন না। কোমল শ্যাম্পু ব্যবহার করুন, মাঝেমাঝে শুধু কন্ডিশনার আর জল দিয়েই চুল ধুয়ে নিন।

 

রং করা চুলের জন্য

রং করা চুলের জন্য

চুলে রং করা থাকলে ঘন ঘন ড্রাই শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন না। কালার ট্রিটেড চুলের জন্য বিশেষভাবে তৈরি কোমল হেয়ার ক্লেনজার ব্যবহার করুন।

 

কোঁকড়া চুলের জন্য

কোঁকড়া চুলের জন্য

ভালোমতো ব্যায়াম করার পর কোঁকড়া চুলও একটু নেতিয়ে পড়ে। তাই হাতের কাছে রাখুন লিভ-ইন কন্ডিশনার। ব্যায়ামের পর চুলের শেষ প্রান্তে খানিকটা লাগিয়ে নিয়ে স্ক্রাঞ্চ করে নিন, কার্ল আগের মতো হয়ে যাবে।