ভাবলেই মনটা খারাপ হয়ে যায়! কিন্তু যত মন খারাপই হোক, শুকনো, নিষ্প্রাণ, নেতিয়ে পড়া চুলের সমস্যায় কমবেশি সব মেয়েই ভোগেন। আর অনেক সময়ই চেষ্টা করেও এই সমস্যা থেকে মুক্তি মেলে না! কারণ এ সব ক্ষেত্রে চুল কেটে ছোট করে ফেলা ছাড়া গতি নেই! আর তাতেও সমস্যা! অনেক কষ্ট করে যে চুল লম্বা হয়েছে তা অনেকেই কেটে ফেলতে চান না! ফলে নেতানো, প্রাণহীন চুলই সহ্য করে যেতে হয়! তবে আর নয়! আপনারও যদি চুল নিয়ে একইধরনের সমস্যা থেকে থাকে, তা হলে তার সমাধান নিয়ে হাজির হয়েছি আমরা। আমাদের পরামর্শ মানলে চুলের ক্ষতির পরিমাণ সহজেই কমিয়ে ফেলতে পারবেন আপনি, চুল ফের সুন্দর হয়ে উঠবে।

সাধারণত দূষণ, রোদ, হিট স্টাইলিং আর মানসিক চাপের কারণে চুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে একটু চেষ্টা করলেই চুলে প্রাণ ফেরানো সম্ভব। দেখে নিন কীভাবে...

 

সালফেটহীন শ্যাম্পু আর কন্ডিশনার ব্যবহার করুন

সালফেটহীন শ্যাম্পু আর কন্ডিশনার ব্যবহার করুন

এমন শ্যাম্পু ব্যবহার করুন যাতে সালফেট বা প্যারাবেনের মতো কেমিক্যাল নেই। এরকম শ্যাম্পু আপনার চুলে কোমলভাবে কাজ করে, ক্ষতি আটকায়। প্রাকৃতিক তেল আর ভেষজের গুণে সমৃদ্ধ শ্যাম্পু মাখলে চুলের ক্ষতি অনেকটাই বাগে আনতে পারবেন। মনে রাখবেন, বেশি শ্যাম্পু করলে কিন্তু আপনার চুলের স্বাভাবিক তেলের আস্তর নষ্ট হয়ে গিয়ে চুল শুকনো আর ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। সপ্তাহে দু' থেকে তিনবারের বেশি শ্যাম্পু করবেন না, মাঝখানে চুল খুব নেতিয়ে পড়লে ড্রাই শ্যাম্পু ব্যবহার করুন।

 

ডিপ কন্ডিশনিং ট্রিটমেন্ট করান

ডিপ কন্ডিশনিং ট্রিটমেন্ট করান

ডিপ কন্ডিশনিংয়ের অর্থ হল সাধারণভাবে যতক্ষণ কন্ডিশনার মেখে থাকেন, তার চেয়ে আরও কিছুক্ষণ বেশি রাখা। এতে কন্ডিশনার আপনার চুলের গভীর ঢুকে গিয়ে ক্ষতি মেরামত করতে পারে। ডিপ কন্ডিশনিং করলে ক্ষতিগ্রস্ত চুলেও একটা চমক আর জেল্লা আসে, চুলের নমনীয়তাও বৃদ্ধি পায়।

 

হেয়ার মাস্ক লাগান

হেয়ার মাস্ক লাগান

ক্ষতিগ্রস্ত চুলে প্রাণ ফেরানোর একটি দারুণ উপায় হল হেয়ার মাস্ক। বিশেষভাবে তৈরি হেয়ার মাস্ক বেছে নিন যেটি ক্ষতিগ্রস্ত চুলে নতুন করে সজীবতা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম। সপ্তাহে দু'বার হেয়ার মাস্ক লাগিয়ে এক ঘণ্টা রেখে দিন। চুলটা শাওয়ার ক্যাপে আটকে রাখুন যাতে মাস্ক চুলের গভীরে ঢুকতে পারে।

 

ঘন ঘন হিট স্টাইলিং করবেন না

ঘন ঘন হিট স্টাইলিং করবেন না

শুকনো, ক্ষতিকর চুলের স্বাস্থ্য ফেরাতে চাইলে হেয়ারস্টাইল নিয়ে খুব কারুকাজ না করাই ভালো, একই সঙ্গে খুব প্রয়োজন না হলে চুলে তাপ দিয়ে স্টাইল করবেন না। এমন হেয়ারস্টাইল করুন যেটা করতে একগাদা প্রডাক্ট বা হেয়ার স্প্রে লাগে না। যদি একান্তই কখনও হিট স্টাইলিং করতে হয়, তা হলে আগে চুলে হিট প্রোটেকট্যান্ট স্প্রে বা ড্যামেজ কন্ট্রোল হেয়ার সিরাম লাগিয়ে নিন।