সত্যিটা স্বীকার করে নেওয়াই ভালো! এমন কোনও মেয়ে খুঁজে পাওয়া মুশকিল, যিনি নিজের চুলের হালত নিয়ে একশোভাগ সন্তুষ্ট! চুলের রুক্ষতা, চুল উঠে যাওয়া, পাতলা হয়ে যাওয়া, খুসকি, মাথার তালুর শুষ্কতার মতো কিছু না কিছু সাধারণ সমস্যা নিয়ম করে লেগেই থাকে! সমস্যা সমাধানে আপনি নানা ধরনের প্রডাক্ট নিশ্চয়ই ইতিমধ্যে ব্যবহার করে দেখেছেন? তবে অপরের পরামর্শ শুনে যে কোনও প্রডাক্ট ব্যবহার করার আগে আপনাকে বুঝে নিতে হবে এ সব প্রডাক্টের কাজ কী আর তা আপনার জন্য আদৌ উপযোগী কিনা!

আজ আমরা কিছু জরুরি প্রডাক্ট আর সাপ্লিমেন্টের কথা আপনাদের জানাব, আর একই সঙ্গে সে সব প্রডাক্ট কীভাবে আপনার চুলে স্বাস্থ্যের জেল্লা ফিরিয়ে আনতে পারে, সে সম্পর্কেও জরুরি তথ্য পাবেন আপনি।

 

1. পুষ্টিকর, সালফেট-হীন শ্যাম্পু

1. পুষ্টিকর, সালফেট-হীন শ্যাম্পু

শ্যাম্পুর কাজ শুধু চুল আর স্ক্যাল্প পরিষ্কার করা নয়, চুলের স্বাস্থ্যরক্ষায় তার আরও কিছু ভূমিকা রয়েছে। চুল আর স্ক্যাল্পের ধরনের ওপর নির্ভর করে সঠিক ফর্মুলার শ্যাম্পু বেছে নিন। চুলের স্বাস্থ্যকর পিএইচ মাত্রা বজায় রাখে যে সব শ্যাম্পু, তা সাধারণত সালফেট-মুক্ত হয়, প্রাকৃতিকভাবে পুষ্টিকর উপাদানে ভরপুর এই শ্যাম্পু বেশিরভাগ চুলের ধরনের সঙ্গেই মানিয়ে যায়। ভালো মানের শ্যাম্পু ব্যবহার আর সেই সঙ্গে উপযুক্ত চুল পরিচর্যার রুটিন/ hair care routine, এই দুইয়ের সমাহারই সুস্থ আর জেল্লাদার চুল পাওয়ার গোপন কথা। বিবি-র পছন্দ: লাভ বিউটি অ্যান্ড প্ল্যানেট আর্গান অয়েল অ্যান্ড ল্যাভেন্ডার অ্যারোমা স্মুদ অ্যান্ড সিরিন শ্যাম্পু/Love Beauty & Planet Argan Oil and Lavender Aroma Smooth and Serene Shampoo

 

2. নিষ্প্রাণ চুলে চমক আনার সিরাম

2. নিষ্প্রাণ চুলে চমক আনার সিরাম

চুলের একদম বাইরের স্তরের যত্ন নেওয়ার জন্য সিরাম লাগানো হয়। যাঁদের চুল রুক্ষ আর ক্ষতিগ্রস্ত, তাঁরা চুলের গভীরে ময়শ্চার ধরে রাখতে সমস্যায় পড়েন। হেয়ার সিরাম/Hair serums সক্রিয় উপাদানে তৈরি যা চুলের বাইরের স্তরে একটা চকচকেভাব এনে দেয়, তার সঙ্গে চুলের গভীরে প্রবেশ করে পরিবেশগত ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। ফলে চুলের ধরন যেমনই হোক না কেন, সিরাম ব্যবহার করা অত্যন্ত প্রয়োজন। বিবি-র পছন্দ: টিজি বেড হেড কন্ট্রোল ফ্রিক ফ্রিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড স্ট্রেটনার সিরাম/ TIGI Bed Head Control Freak Frizz Control And Straightener Serum

 

3. ত্বকের ধরনের উপযোগী হেয়ার অয়েল

3. ত্বকের ধরনের উপযোগী হেয়ার অয়েল

চুলের দৈর্ঘ্য বরাবর আর চুলের ডগার দিকের দেখভাল করে সিরাম। আর তেলের কাজ হল স্ক্যাল্পে পুষ্টি জুগিয়ে শুষ্ক চুল, খুসকি, মাথা চুলকোনোর মতো সমস্যা কমানো। আপনার ত্বক যদি তেলতেলে হয়, যদি ব্রণ বেরোনোর প্রবণতা থাকে, তা হলে অলিভ অয়েলের মতো নন-কমেডোজেনিক তেল ব্যবহার করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞেরা। যেহেতু তেলে কোনওরকম রাসায়নিক থাকে না, তাই হেয়ার অয়েল যে কেউ মাখতে পারেন। বাজারে নানা ধরনের তেল পাওয়া যায়, বেছে নিন আপনার চুলের সমস্যার উপযোগী সেরা/ best for your hair concern তেলটি।

বিবি-র পছন্দ: ডাভ এলিক্সির হেয়ার ফল রেসকিউ হেয়ার অয়েল - রোজ অ্যান্ড আমন্ড অয়েল/Dove Elixir Hair Fall Rescue Hair Oil - Rose & Almond Oil

 

4. চুলের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটাতে পুষ্টিকর সাপ্লিমেন্ট

4. চুলের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটাতে পুষ্টিকর সাপ্লিমেন্ট

চুলের যথাযথ যত্ন নেওয়া ও সঠিক প্রডাক্ট ব্যবহার করাই যথেষ্ট নয়। আপনার চুল আর স্ক্যাল্পের স্বাস্থ্য ধরে রাখতে খুব জরুরি ভূমিকা পালন করে আপনার ডায়েট বা খাওয়াদাওয়া। রোজকার খাবার থেকে যদি পর্যাপ্ত ভিটামিন আর প্রয়োজনীয় নিউট্রিয়েন্টস না পান, তা হলে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে খাবারের পাশাপাশি পুষ্টির সাপ্লিমেন্ট খেতে পারেন। সুস্থ চুলের জন্য প্রয়োজনীয় সাপ্লিমেন্ট হল ভিটামিন এ, বায়োটিন, ভিটামিন ডি, ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড আর ফলিক অ্যাসিড।