একমাথা স্বাভাবিক কোঁকড়া ঘন চুলের আকর্ষণ নেহাত কম নয়! কিন্তু সব ভালো জিনিসই তো একসময়ে একঘেয়ে লাগে, তাই কোঁকড়া চুলের মালকিনেরাও চান মাঝে মাঝে চুল স্ট্রেট করতে! কিন্তু জন্মসূত্রে পাওয়া কোঁকড়া আর রুক্ষ চুল স্ট্রেট করতে গিয়ে বেশ ঝকমারি হতে পারে! আর স্ট্রেট করতে পারলেও চুলের ওপর দিয়ে যা স্ট্রেস যায় তার তুলনা নেই, আর এর ফলে চুলের মারাত্মক ক্ষতিও হয়ে যাওয়াও অসম্ভব নয়!

তা হলে কি কোঁকড়া চুল স্ট্রেট করতে গেলে এই ক্ষতিটা মেনেই নিতে হবে? কে বলেছে? আগে থাকতে কিছু টিপস মেনে চললেই আপনার মাথাভর্তি কোঁকড়া চুলও আপনি করে তুলতে পারবেন রেশমের মতো স্ট্রেট আর কোমল!

সেই টিপসের সন্ধান নিয়েই এসেছি আমরা! কৌতূহল হচ্ছে তো? পড়তে থাকুন...

 

প্রথমে চুলে শ্যাম্পু করে নিন

প্রথমে চুলে শ্যাম্পু করে নিন

চুলে হিট স্টাইলিং করার আগে শুরুতেই চুল পরিষ্কার করে ধুয়ে নিন। কোমল শ্যাম্পু দিয়ে খুব ভালো করে ধুয়ে ফেলুন, তারপর স্ট্রেটনিংয়ে হাত দিন।

 

চাই ডিপ কন্ডিশনিং ট্রিটমেন্ট

চাই ডিপ কন্ডিশনিং ট্রিটমেন্ট

শ্যাম্পুর পর নিয়মিত যে কন্ডিশনার ব্যবহার করেন, সেটা তো করবেনই, পাশাপাশি একটা হাইড্রেটিং হেয়ার মাস্ক লাগান। এর ফলে চুল চট করে ভেঙে ঝরে যাবে না, কোঁকড়া চুল স্ট্রেট করাও অনেক সহজ হবে! এর সঙ্গে একটুখানি লিভ-ইন কন্ডিশনারও লাগাতে পারেন। TIGI Bed Head Ego Boost Leave-in Conditioner and Split End Mender লাগান। তাতে চুলের বাড়তি যত্ন নেওয়াও হবে। চুল ভাঙবে ঝরবে না যেমন, তেমনি সুরক্ষিতও থাকবে।

 

চুল ভাগ ভাগ করে নিন

চুল ভাগ ভাগ করে নিন

চুল ময়শ্চারাইজ বা স্ট্রেট যাই করুন, পুরো চুলটাকে কয়েকটা ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে নেওয়া খুবই দরকার। তাতে প্রতিটি চুল যেমন কন্ডিশনারের যত্ন পাবে, তেমনি গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত ঠিকমতো স্ট্রেটও হবে। কাজের সুবিধের জন্য বাকি চুলটা ক্লিপ দিয়ে আটকে রাখুন।

 

হিট প্রোটেকট্যান্ট স্প্রে লাগান

হিট প্রোটেকট্যান্ট স্প্রে লাগান

হিট স্টাইলিংয়ের আগে হিট প্রোটেকট্যান্ট স্প্রে না লাগানো মানে নিজের চুল নিজে হাতে নষ্ট করা! তাই অবশ্যই অ্যালকোহল-মুক্ত হিট প্রোটেকট্যান্ট স্প্রে ব্যবহার করুন। Tresemme Keratin Smooth Heat Protection Shine Spray আপনার চুল সুরক্ষিত রাখবে, চুল শুষ্ক হতেও দেবে না।

 

তাপ দেওয়ার আগে চুল পুরো শুকিয়ে নিন

তাপ দেওয়ার আগে চুল পুরো শুকিয়ে নিন

চুল স্ট্রেট করতে শুরু করার আগে দেখে নিন তা পুরোপুরি শুকিয়ে গেছে কিনা। চুল ভেজা থাকলে কিন্তু চলবে না! হাতে সময় থাকলে স্বাভাবিক খোলা হাওয়ায় বা পাখার হাওয়ায় চুল শুকিয়ে নিন। আর সময় না থাকলেও অন্তত 70-80% স্বাভাবিক হাওয়ায় শুকোতে হবে। তারপর তাপমাত্রার সবচেয়ে কম সেটিংয়ে ব্লো ড্রায়ার ব্যবহার করতে পারেন। রাউন্ড ব্রাশ দিয়ে চুল আঁচড়ে নিন, যাতে ঠিকঠাক বাউন্স থাকে চুলে।